প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

আরও এস-৪০০ কিনবে তুরস্ক ,তবে এবার নতুন শর্ত

 



মার্কিন বিরোধিতা উপেক্ষা করে রাশিয়া থেকে আরও এস-৪০০ কিনতে প্রস্তুতি ঘোষণা করেছে তুরস্ক। তবে এবার নতুন শর্ত দিয়েছে আঙ্কারা।


তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রধান ইসমাইল দামির বলেছেন, তারা রাশিয়া থেকে নতুন করে আরও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ কিনতে প্রস্তুত রয়েছেন। তবে শর্ত হলো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণ করতে হবে যৌথভাবে এবং এর প্রযুক্তিও আঙ্কারাকে দিতে হবে।


২০১৭ সালে এস-৪০০ কেনার বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে আড়াইশ' কোটি ডলারের চুক্তি সই করে তুরস্ক। চুক্তি অনুযায়ী গত বছর এস-৪০০ এর সব সরঞ্জাম তুরস্কের কাছে হস্তান্তর করেছে মস্কো।


তবে তুরস্ক আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনতে চায়। অবশ্য রাশিয়া তুরস্কের এই শর্ত মানবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।


রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ কেনার কারণে আমেরিকার পক্ষ থেকে ব্যাপক চাপ ও হুমকি সহ্য করতে হয়েছে তুরস্ককে। দেশটি মার্কিন চাপের মুখেও সিদ্ধান্তে অটল ছিল।


পার্সটুডে

মন্তব্যসমূহ