তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

আগদামে গণহারে আগুন দিচ্ছে আর্মেনীয় সেনারা! (ভিডিও)

 




বিরোধীয় কারাবাখের আগদাম অঞ্চলে ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের পর অঞ্চলটির বেশ কিছু অবকাঠামোতে আগুন ধরিয় দিয়েছে আমেনীয় সেনাবাহিনী। এর মধ্যে থানা, বসতি ও নিরাপত্তা চৌকি রয়েছে।  


তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদলু জানিয়েছে, আজারবাইজানের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে দেখা যাচ্ছে, আর্মেনীয় সেনাবাহিনীর অবস্থানগুলো থেকে ধোয়া বেড়ে চলছেই।


যেসব এলকা খালি হচ্ছে, যেখানে বসতি ছেড়ে নাগরিকরা বের হয়ে যাচ্ছেন, সেসব এলাকাই আগুনে পোড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে পুলিশ স্টেশন, দালান ও নিরাপত্তা চৌকিতে আগুন দেয়া হচ্ছে। আগদাম জেলাটি আগামী ২০ নভেম্বর আজারবাইজানের হাতে সমপর্ণ করার কথা রয়েছে।


১৯৯১ সালে আর্মেনীয় সেনাবাহিনী নাগোরনো-কারাবাখের এই অঞ্চলটি অধিগ্রহণ করে। এরপর থেকেই সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দুই দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে। বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। 


আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ২৭ সেপ্টম্বর থেকে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হয়। প্রায় ছয় সপ্তাহ ধরে চলে এই যুদ্ধ। ৪৪ দিনের টানা যুদ্ধে আজারবাইজান প্রায় ৩০০টি বসটি ও গ্রাম দখলমুক্ত করে। 


সবশেষ ১০ নভেম্বর রাশিয়ার হস্তক্ষেপে মস্কো, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে চুক্তি হয়। 


এই ভিডিওটি নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলের। সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্স প্রকাশ করেছে। 

মন্তব্যসমূহ