নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

  নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুরে চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার শিকার সবাই একই পরিবারের সদস্য।  সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে নিয়ামতপুর থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় চারজনের লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছ...

নিজ অবস্থান থেকে এক চুলও সরে আসবে না তুরস্ক: এরদোয়ানের হুংকার

 




রিসেপ তায়্যেপ এরদোয়ান বলেন, প্রাচ্য কিংবা পাশ্চাত্য কোথাও নিজ অবস্থান থেকে এক চুলও সরে আসবে না তুরস্ক। শনিবার (২১ নভেম্বর) হ্যালিফ্যাক্স ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি ফোরামের এক অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে এমন মন্তব্য করেছেন তিনি। 


এ সময় এরদোয়ান বলেন, প্রাচ্য কিংবা পাশ্চাত্য কোথাও আমাদের পিছু হটার সুযোগ নেই। ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন করতে হবে। তবে কোনোভাবেই আমরা কখনও এশিয়া ও আফ্রিকাকে উপেক্ষা করতে পারি না।


তিনি আরও বলেন, ভৌগোলিকভাবে তুরস্ক একটি আফ্রিকান-ইউরেশীয় দেশ। এ কারণে নিজেদের একটি সংকীর্ণ কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা আমাদের জন্য শুধু ভুলই নয়। এটি কখনো সম্ভবও হবে না।


এদিকে রাশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের সাম্প্রতিক সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের এই সময়ে গভীর সম্পর্ককে আমেরিকার সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের বিকল্প হিসেবে ভাবছি না। 


এরদোয়ান  বলেন, ‘ন্যাটোতে আমাদের অবস্থানকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করি। ৬৮ বছর ধরে আমরা এ জোটের সদস্য। তুরস্কের সীমান্ত ন্যাটোরও সীমান্ত।’


এরদোয়ান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সংকীর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে বাস্তবতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ তৈরি করলে তুরস্ক কাউকে সুযোগ দেবে না।


এমন এক সময়ে এরদোয়ান এসব কথা বললেন, মাত্র কয়েক দিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও তুরস্ক সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়। ওই সফরে পম্পেও শুধু খ্রিস্টান ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তুরস্কের কোনও কর্মকর্তার সঙ্গে তার আনুষ্ঠানিক কোনও বৈঠক হয়নি। 


এদিকে নাগোর্নো-কারাবাখ ইস্যুতে তুরস্কের অবস্থানের একদম বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সসহ পশ্চিমা দেশগুলো।  তুরস্কের পৃষ্ঠপোষকতায় নাগোর্নো-কারাবাখে বড় জয় ছিনিয়ে আনে আজারবাইজান। পরে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আজারবাইজান-আর্মেনিয়ায়ার মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী এরই মধ্যে কারাবাখে রুশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরে ওই অঞ্চলে তুর্কি বাহিনী মোতায়েনে পার্লামেন্টের অনুমোদন নেয় তুরস্ক। 

মন্তব্যসমূহ