প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

উত্তেজনার মধ্যেই ‘চীনা’ ব্যাংক থেকে ৯ হাজার কোটির ঋণ নিলো ভারত

 




সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই চীনা ব্যাংক থেকে ৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়েছে মোদি সরকার। করোনা মহামারি মোকাবিলা করতেই বেইজিং ভিত্তিক এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এইইবি) থেকে এ ঋণ নিয়েছে ভারত সরকার। খবর ইন্ডিয়া টাইমসের।


বুধবার সংসদে এ কথা জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।


খবরে বলা হয়, পরিকাঠামো খাতে উন্নয়নের জন্য চীনে অবস্থিত এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের সঙ্গে মোট দুটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত। ৩ হাজার ৬৭৬ কোটি টাকার প্রথম চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় গত ৮ মে। সেই অর্থ করোনা মোকাবিলায় ও চিকিৎসাখাতে ব্যয় করা হয়েছে।


দ্বিতীয় ঋণ চুক্তিটি সই করা হয়েছে ১৯ জুন। সেই চুক্তি প্রায় ৫ হাজার ৫১৪ কোটি টাকার।


ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম বলছে, যখন দ্বিতীয় ঋণের জন্য আবেদন করা হয়, ততদিনে লাদাখে চীনের আক্রমণে ২০ ভারতীয় জওয়ান নিহত হয়েছেন। এরপরেও চীনে অবস্থিত ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। বিরোধীরাও এ নিয়ে সরব হয়েছেন।


মোদি সরকারের দাবি, এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক মূলত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এশিয়া প্যাসিফিক এলাকায় বিভিন্ন দেশের আর্থিক ও সামাজিক পরিকাঠামো উন্নয়নে ঋণ দিয়ে থাকে। ভারত নিজেও এই ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।


এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের সদর দফতর বেইজিংয়ে। আর ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবেই চীনের হাতে।

মন্তব্যসমূহ