ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

আরেকটি চার্চ মসজিদে রূপান্তরের নির্দেশ এরদোয়ানের

 



আয়া সুফিয়ার পর এবার আরেকটি প্রাচিন চার্চকে মসজিদে রূপান্তরের নির্দেশ দিলেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। শুক্রবার (২১ আগস্ট) তিনি দেশটির জাতীয় জাদুঘর কর্তৃপক্ষকে এ নির্দেশ দেন।


অন্তত ১ হাজার বছর পুরনো এই চার্চটিকে ৫শ’ বছর আগে অটমান সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর মসজিদে রূপান্তর করা হয়েছিল। পরে এটিকে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়। এরদোয়ানের এই নির্দেশের ফলে এটি আবার মসজিদ হিসেবে যাত্রা শুরু করবে। আগামী এক মাসের মধ্যেই এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।


এর আগে মাত্র একমাস আগে ইস্তানবুলের ইউনেসকো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্য আয়া সুফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করা হয়। বিভিন্ন দেশ এ নিয়ে সমালোচনা করলেও দেশটির জনগণ সর্বসম্মতভাবে এ সিদ্ধন্তকে স্বাগত জানায়।


নতুন করে জাদুঘর থেকে মসজিদে রূপান্তরের নির্দেশ দেয়া চার্চটি ইউরোপ-ঘেঁষা ইস্তাম্বুলের ‘গোল্ডেন হর্ন’ এলাকার প্রাচীন নিদর্শন। ইস্তাম্বুলে খোরা এলাকায় বাইজেন্টাইনরা এই চার্চ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিল। অটোমান তুর্করা ১৪৫৩ সালে কন্সটেন্টিনোপাল বিজয়ের প্রায় ৫০ বছর পর কারিয়ে চার্চকে মসজিদে রূপান্তর করা হয়েছিল।



কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটিকে জাদুঘরে পরিণত করা হয়। পরবর্তীতে এটার সংস্কার করে ১৯৫৮ সালে জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়। তবে গত বছরের নভেম্বরে এই জাদুঘরকে পুনরায় মসজিদে রূপান্তর করতে আদেশ দেন তুরস্কের একটি শীর্ষ প্রশাসনিক আদালত। প্রেসিডেন্টের এই নির্দেশের ফলে ওই আদেশ বাস্তবায়নে আর কোনো বাধা থাকলো না।

মন্তব্যসমূহ