জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

বিয়ের অনুষ্ঠানে সৌদি হামলায় ২৫ ইয়েমেনি নারী ও শিশু হতাহত; ইরানের নিন্দা




ইয়েমেনের আল-জাউফ এলাকায় বিয়ের অনুষ্ঠানে সৌদি জোটের বোমা হামলায় অন্তত ২৫ জন নিরপরাধ নারী ও শিশু হতাহত হয়েছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, আন্তর্জাতিক সমাজের নীরবতার সুযোগে সৌদি আররের নেতৃত্বে ইয়েমেনে যুদ্ধাপরাধ চলছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইয়্যেদ আব্বাস মুসাভি ইয়েমেনিদের জীবন রক্ষায় এগিয়ে আসতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, যেসব দেশ ঘাতকদের হাতে ধ্বংসাত্মক অস্ত্র ও বোমা তুলে দিচ্ছে তারাও এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী। আব্বাস মুসাভি আরও বলেছেন, সৌদি জোট ইয়েমেনে নির্বিচারে শিশু হত্যা অব্যাহত রাখলেও রাজনৈতিক চাপ ও অর্থের কাছে নতিস্বীকার করেছে জাতিসংঘ। তারা শিশু ঘাতক দেশগুলোর তালিকা থেকে সৌদি আরবের নাম বাদ দিয়েছে। 

২০১৫ সালের মার্চ থেকে ইয়েমেনে আগ্রাসন চালিয়ে আসছে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশ। আর এসব দেশকে মারণাস্ত্র ও গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ।# 

পার্সটুডে

মন্তব্যসমূহ