জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

ইরাকে মার্কিন সামরিক বহর উড়িয়ে দেয়া হয়েছে (ভিডিও)



ইরাকে সামরিক সরঞ্জামাদি বহনকারী মার্কিন সেনাদের একটি বহর উড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ইরাকের রাজধানী বাগদাদের দক্ষিণে সামোয়া এবং দিওয়ানিয়া এলাকার মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, সামরিক বহরের অন্তত তিনটি গাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস অথবা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গতকাল (শনিবার) স্থানীয় সময় রাত দশটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। কোন কোন গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে- রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে এই হামলা চালানো হয়। সামরিক বহরটি দিওয়ানিয়ার আল-ক্বাদিসিয়াহ ও মুসান্না প্রদেশের সেভিসলিন এলাকার মধ্যে যাতায়াত করছিল।

এরইমধ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে হামলার ভিডিও এবং স্থিরচিত্র ছড়িয়ে পড়েছে যাতে দেখা যাচ্ছে- হামলার পর সামরিক বহরে আগুন ধরে যায়। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছে কিনা তা পরিষ্কার নয়। নবগঠিত ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠী সারাইয়া সাওরাত আল-ইশরিন আল-সানিয়া হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে।

ইরাকের ভূখণ্ডে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ইউনিট বা হাশদ আশ-শাবির সেকেন্ড ইন-কমান্ড আবু মাহিদি আল-মুহান্দিসকে হত্যার পর ইরাকের জনগণের ভেতরে প্রচণ্ড রকমের মার্কিন বিরোধী মনোভাব বিরাজ করছে। এ দু'জনকে হত্যার পর ইরাক থেকে মার্কিন সেনা বহিষ্কারের দাবিতে জাতীয় সংসদের একটি সর্বসম্মত প্রস্তাব পাস হয়। সেনা প্রত্যাহারের ব্যাপারে বর্তমানে ইরাক এবং আমেরিকা আলোচনা চালাচ্ছে। এর আগে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে যে, যদি মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা না হয় তাহলে আমেরিকার বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই শুরু হবে।
   

পার্সটুডে

মন্তব্যসমূহ