ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কায় স্পেনে ১ লাখ মিঙ্ক হত্যার সিদ্ধান্ত



করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় স্পেনের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের একটি খামারে প্রায় এক লাখ মিঙ্ক(বেজি জাতীয় প্রাণী) হত্যা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

ইউরোপের কিছু দেশে পশমের জন্য 'মিঙ্ক' বা বেজি জাতীয় আধা জলজ প্রাণী খামারে পালন করা হয়।

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের বিষয়টি স্পেনের আরাগন প্রদেশে প্রথম জানা যায় যখন সেখানকার একটি খামারের এক কর্মচারীর স্ত্রী'র করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।

তারপরে, ওই নারীর স্বামীসহ খামারের আরো কয়েকজন কর্মচারী দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।

ওই ঘটনার কিছুদিন পরে মিঙ্কগুলোকে আইসোলেশনে নেয়া হয় এবং কিছুদিনের জন্য পর্যবেক্ষণ করা হয়।

১৩ জুলাই পরীক্ষার করার পর জানা যায় যে প্রায় ৯২,৭০০ মিঙ্কের মধ্যে ৮৭ ভাগই করোনাভাইরাস পজিটিভ, তখন স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সবগুলো প্রাণীকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় এবং নির্দেশ দেয়।

হোয়াকিন ওলোনা আরাগন অঞ্চলের কৃষি বিষয়ক মন্ত্রী বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, মিঙ্কগুলো হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এইজন্য যেন 'মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি' এড়ানো যায়।

তিনি আরো জানান, প্রাণী থেকে সরাসরি মানুষের মধ্যে এই রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়।

খামারের কোন একজন কর্মী অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রাণীগুলোর মধ্যে রোগ সংক্রমণ করেছে বলে তিনি ধারণা প্রকাশ করেন।

যদিও এই বিষয়টি এখনও প্রমাণিত হয়নি তবুও তিনি প্রাণীগুলোর মাধ্যমে খামারের কর্মীদের সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেননি।

সুত্র: বিবিসি বাংলা।

মন্তব্যসমূহ