জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কায় স্পেনে ১ লাখ মিঙ্ক হত্যার সিদ্ধান্ত



করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় স্পেনের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের একটি খামারে প্রায় এক লাখ মিঙ্ক(বেজি জাতীয় প্রাণী) হত্যা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

ইউরোপের কিছু দেশে পশমের জন্য 'মিঙ্ক' বা বেজি জাতীয় আধা জলজ প্রাণী খামারে পালন করা হয়।

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের বিষয়টি স্পেনের আরাগন প্রদেশে প্রথম জানা যায় যখন সেখানকার একটি খামারের এক কর্মচারীর স্ত্রী'র করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।

তারপরে, ওই নারীর স্বামীসহ খামারের আরো কয়েকজন কর্মচারী দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।

ওই ঘটনার কিছুদিন পরে মিঙ্কগুলোকে আইসোলেশনে নেয়া হয় এবং কিছুদিনের জন্য পর্যবেক্ষণ করা হয়।

১৩ জুলাই পরীক্ষার করার পর জানা যায় যে প্রায় ৯২,৭০০ মিঙ্কের মধ্যে ৮৭ ভাগই করোনাভাইরাস পজিটিভ, তখন স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সবগুলো প্রাণীকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় এবং নির্দেশ দেয়।

হোয়াকিন ওলোনা আরাগন অঞ্চলের কৃষি বিষয়ক মন্ত্রী বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, মিঙ্কগুলো হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এইজন্য যেন 'মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি' এড়ানো যায়।

তিনি আরো জানান, প্রাণী থেকে সরাসরি মানুষের মধ্যে এই রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়।

খামারের কোন একজন কর্মী অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রাণীগুলোর মধ্যে রোগ সংক্রমণ করেছে বলে তিনি ধারণা প্রকাশ করেন।

যদিও এই বিষয়টি এখনও প্রমাণিত হয়নি তবুও তিনি প্রাণীগুলোর মাধ্যমে খামারের কর্মীদের সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেননি।

সুত্র: বিবিসি বাংলা।

মন্তব্যসমূহ