প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

গণকবরে ৬০৩২ কঙ্কালের পাশে কয়েক হাজার গুলি



আফ্রিকার দেশ বুরুন্ডির কাউরিসিতে ছয়টি গণকবর থেকে ছয় হাজার ৩২ কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি কয়েক হাজার গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে। জানুয়ারি থেকে গণকবরের সন্ধানে নামার পর গণকবর থেকে এটিই বেশিসংখ্যক কঙ্কালের সন্ধান। এসব আলামত দেশটিতে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক সংঘাতের প্রমাণ দেয়। খবর আনাদোলু ও আলজাজিরার।

দেশটির ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশনের চেয়ারম্যান ক্লেভার নাদাইকারের বরাত দিয়ে তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলুর খবরে বলা হয়েছে, কবরগুলো থেকে ভুক্তভোগীদের ব্যবহার করা নানা জিনিসও উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ধারণা করছেন, ১৯৭২ সালের গণহত্যার সময় এভাবে মানুষ মেরে পুঁতে রাখা হয়।

বুরুন্ডির ইতিহাস দাঁড়িয়ে আছে এমন অনেক কবরের ওপর। দেশটির সাধারণ মানুষ টুটসি ও হুটু সম্প্রদায়ে বিভক্ত। দেশটির নাগরিকরা ঔপনিবেশিক শাসন, গৃহযুদ্ধ ও গণহত্যার শিকার হয়েছেন।

২০০৫ সালে বুরুন্ডিতে গৃহযুদ্ধের অবসান হয়। এর আগে দেশটির তিন লাখের মতো মানুষ প্রাণ হারান।

প্রায় পাঁচ বছর ধরে দেশটির সরকার গণকবরের সন্ধান চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত চার হাজারটি কবরের খোঁজ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এসব কবরে দেড় লাখের মতো মানুষকে রাখা হয়েছে!

মন্তব্যসমূহ