জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

থাইল্যান্ডে পথচারীদের উপর সেনা সদস্যের গুলি, নিহত ১২



থাইল্যান্ডে এক সেনাকর্মকর্তার এলোপাতাড়ি গুলিতে ১২ জন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার দেশটির থাইল্যান্ডের কাঞ্চনবাড়ি প্রদেশের মোয়ং জেলায় এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ব্যাংকক পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, আক্রমণকারী ওই সেনাকর্মকর্তা প্রথমে তার কমান্ডারকে হত্যা করে। পরে ক্যাম্পে থাকা আরো একজনকে গুলি করে হত্যা করে রাস্তায় বেড়িয়ে পরে। এরপর শপিং মলের সামনে সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালায়। ধরাণা করা হচ্ছে, মোয়ং জেলার এই শপিং মলে আরো অনেককে জিম্মি করে রেখেছে এই কর্মকর্তা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ঘটনায় মোট ১২ জন নিহত হয়েছেন। তবে কতো জন আহত হয়েছেন তা এখনো বলা যাচ্ছে না।

এই ঘটনার সময় ওই সেনাকর্মকর্তা ফেসবুকে লাইভ করে। তাছাড়া অস্ত্র হাতে সেলফিও তুলে। এরপর ফেসবুকে পোস্ট দেয়। সন্ধ্যার ৭টা ২০ মিনিটে করা ওই পোস্টে লিখে, আমি খুব ক্লান্ত।

সেনাবাহিনীর সেকেন্ড কমান্ডার লে. জেনারেল থান্যা ক্রিয়াটিসরন বলেন, আক্রমণকারীর নাম জাকারপান্থ থম্মা। সুরথহামপিঠক ক্যাম্পের সিপিএল হিসেবে কর্মরত ছিল। তাকে আটক করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী।

মন্তব্যসমূহ