প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

এরদোগানের সিরিয়ায় অভিযানের হুমকি, যা বলছে রাশিয়া



তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান বলেছেন, সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশে তুর্কি সামরিক অবস্থানের আশপাশ থেকে সেনা প্রত্যাহার করা না হলে সিরিয়ার সরকারি সেনাদের বিরুদ্ধে যেকোনো মুহূর্তে অভিযান চালানো হবে।

এরদোগান বলেন, ‘আগের মতোই আমরা যেকোনো রাতে আকস্মিকভাবে অভিযান চালাতে পারি।’ এর আগে তুরস্ক তিনবার সিরিয়ার সীমানা পেরিয়ে সামরিক অভিযান চালিয়েছে। সেসব সেনা অভিযানের প্রতিই ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

বুধবার তুরস্কের ক্ষমতাসীন দল জাস্টিস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টির সংসদীয় দলের এক বৈঠকে এরদোগান বলেন, যেকোনো মূল্যে সিরিয়ার ইদলিবে নিরাপত্তা জোন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি বলেন, সামরিক অভিযানের জন্য তুরস্ক সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে, অভিযান এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

এদিকে, এরদোগানের এই হুমকির জবাবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘আমরা যদি সিরিয়ার একটি বৈধ সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের কথা বলি তাহলে সেটা হবে অত্যন্ত খারাপ একটি দৃশ্যপট।’

পেসকভ বলেন, তুরস্ক যদি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় তাহলে তার বিরুদ্ধে মস্কোর কোনো আপত্তি নেই। এসব বিষয় নিয়ে তুরস্কের সাথে মস্কোর আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী এবং মিত্র যোদ্ধারা দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইদলিব ও আলেপ্পো প্রদেশের কিছু অংশে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। তুরস্কের সীমান্তবর্তী এলাকায় এরইমধ্যে সিরিয়ার সেনারা বড় ধরনের সফলতা অর্জন করেছে এবং বহু এলাকা মুক্ত করেছে।

সূত্র : পার্সটুডে

মন্তব্যসমূহ