কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী

 কক্সবাজারের মহেশখালীর উদ্দেশে হেলিকপ্টারে চড়ে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ রোববার (৯ আগস্ট) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তিনি তেজগাঁও বিমান বন্দর থেকে মহেশখালীর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মহেশখালীতে মাতাবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত বাঁশখালী ও হাটহাজারী এলাকায় যাবেন এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে নতুন ঘর হস্তান্তর করবেন। প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি : সকাল সাড়ে ১০টায় মহেশখালীর মাতাবাড়ির গভীর সমুদ্র বন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন, বেলা সাড়ে ১২টায় মহেশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে আয়োজিত সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের অনুষ্ঠানে যোগদান, দুপুর ২টায় ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলম বাবুনগর মাদ্রাসায় আল্লাম শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ, সোয়া ৩টায় হাটহাজারীর আল জ...

কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার প্রধান কারিগর নিহত!



ইরানের কুদস ফোর্সের সাবেক প্রধান কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার প্রধান কারিগর মার্কিন গোয়েন্দা মাইকেল ডি. অ্যান্ড্রু নিহত হয়েছেন। আফগানিস্তানের গজনিতে তালেবানরা মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত করলে তিনি মারা যান।


রুশ গোয়েন্দাদের সূত্রের বরাতে ইরান ফ্রন্ট পেজ (আইএফপি নিউজ) নামক একটি গণমাধ্যম এই তথ্য প্রকাশ করেছে।   

আইএফপি নিউজের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের রেভ্যুলেশনারি গার্ডের কুদস ফোর্সের প্রধান লেফটেন্যান্ট কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পেছনে ছিলেন মাইকেল ডি. অ্যান্ড্রু।

আইএফপি নিউজ আরও জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে সিআইএ-র চেনা মুখ ছিলেন মাইকেল। কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার আগে ইরাকে অন্তত তিন শতাধিক বিক্ষোভকারীকে তার নির্দেশে হত্যা করা হয় বলে জানায় তারা। এছাড়া ওসামা বিন লাদেনকে হত্যার মিশনেও তার ভূমিকা ছিল বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মিরর।  

উল্লেখ্য সোমবার (২৭ জানুয়ারি)  ৮৩ জন যাত্রী নিয়ে আফগানিস্তানের গজনিতে যাত্রীবাহী একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়। বিমানটি আফগানিস্তানের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে কাবুলের দিকে যাচ্ছিল। দেহ ইয়াক অঞ্চলের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ওই অঞ্চল তালেবান প্রভাবিত। 

আফগানিস্তানের এক প্রাদেশিক মুখপাত্র জানান, প্রযুক্তিগত কারণে বিমানটিতে আগুন লাগে। এতে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। তবে হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। ওই বিমান দুর্ঘটনায় অনেকে হতাহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

ডেইলি মিররের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমানটির মালিকানা আরিয়ানা নামক একটি সরকারি বিমান পরিবহন কম্পানির। তবে বিমনাটি তাদের নয় বলে দাবি করছে সংস্থাটি।

এদিকে আরিয়ানা আফগান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়া তাদের সকল বিমান নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছেছে এবং তাদের কোনো বিমান বিধ্বস্ত হয়নি।

মন্তব্যসমূহ