নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

  নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুরে চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার শিকার সবাই একই পরিবারের সদস্য।  সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে নিয়ামতপুর থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় চারজনের লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছ...

স্বাধীনতার প্রশ্নে আবার গণভোট চেয়ে স্কটল্যান্ডের চিঠি

যুক্তরাজ্য যখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছে, তখন স্কটল্যান্ড আবার স্বাধীনতার প্রশ্নে স্কটল্যান্ডে গণভোট আয়োজনের ক্ষমতা চেয়ে চিঠি দিয়েছে।

যদিও যুক্তরাজ্যের সরকার ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এ ধরণের গণভোট আয়োজনের জন্য এখনি উপযুক্ত সময় নয়।

স্কটিশ ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টারজন যুক্তি তুলে ধরে বলছেন, বেক্সিটের ভোটের জের ধরে স্কটল্যান্ডের জনগণেরও সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ থাকা উচিত, যে তারা কোন পথে যাবে। গণভোট আয়োজনের অনুমতি চাওয়ার প্রস্তাবটি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে স্কটিশ পার্লামেন্ট অনুমোদন দিয়েছে।


আগামী ১২ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে ওই গণভোট আয়োজনের অনুরোধ করা হয়েছে। যদিও এই সময় নিয়ে আলোচনার সুযোগ আছে বলে আভাস দিয়েছেন মিজ স্টারজন।

তবে যুক্তরাজ্যের সরকার এর মধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এ ধরণের গণভোট আয়োজন করতে হলে, বেক্সিট প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে বলেছেন, গণভোটের জন্য এখন উপযুক্ত সময় না। যখন বেক্সিটের সব শর্ত পরিস্কার হয়ে যাবে, স্কটল্যান্ডের জনগণও তখন সবকিছু বুঝে শুনে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

সাংবিধানিক ব্যাপারগুলো যেহেতু ওয়েস্টমিনিস্টারের এখতিয়ারে, তাই এ ধরণের গণভোট আয়োজনের জন্য স্কটিশ সরকারকে ক্ষমতা দিতে হবে। যেভাবে ২০১৪ সালে প্রথম গণভোট আয়োজনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল।

মিজ স্টারজন বলছেন, তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যাত হলে, এপ্রিলে পার্লামেন্ট বসার পরেই তার সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবেন।

২০১৪ সালের গণভোটে ৫৫-৪৫ শতাংশ ভোটে যুক্তরাজ্যে থাকার পক্ষে সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল স্কটিশরা। যদিও বেক্সিটের গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের থাকার পক্ষে মত দিয়েছিল বেশিরভাগ স্কটিশ।

 বিবিসি

মন্তব্যসমূহ