ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

স্বাধীনতার প্রশ্নে আবার গণভোট চেয়ে স্কটল্যান্ডের চিঠি

যুক্তরাজ্য যখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছে, তখন স্কটল্যান্ড আবার স্বাধীনতার প্রশ্নে স্কটল্যান্ডে গণভোট আয়োজনের ক্ষমতা চেয়ে চিঠি দিয়েছে।

যদিও যুক্তরাজ্যের সরকার ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এ ধরণের গণভোট আয়োজনের জন্য এখনি উপযুক্ত সময় নয়।

স্কটিশ ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টারজন যুক্তি তুলে ধরে বলছেন, বেক্সিটের ভোটের জের ধরে স্কটল্যান্ডের জনগণেরও সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ থাকা উচিত, যে তারা কোন পথে যাবে। গণভোট আয়োজনের অনুমতি চাওয়ার প্রস্তাবটি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে স্কটিশ পার্লামেন্ট অনুমোদন দিয়েছে।


আগামী ১২ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে ওই গণভোট আয়োজনের অনুরোধ করা হয়েছে। যদিও এই সময় নিয়ে আলোচনার সুযোগ আছে বলে আভাস দিয়েছেন মিজ স্টারজন।

তবে যুক্তরাজ্যের সরকার এর মধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এ ধরণের গণভোট আয়োজন করতে হলে, বেক্সিট প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে বলেছেন, গণভোটের জন্য এখন উপযুক্ত সময় না। যখন বেক্সিটের সব শর্ত পরিস্কার হয়ে যাবে, স্কটল্যান্ডের জনগণও তখন সবকিছু বুঝে শুনে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

সাংবিধানিক ব্যাপারগুলো যেহেতু ওয়েস্টমিনিস্টারের এখতিয়ারে, তাই এ ধরণের গণভোট আয়োজনের জন্য স্কটিশ সরকারকে ক্ষমতা দিতে হবে। যেভাবে ২০১৪ সালে প্রথম গণভোট আয়োজনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল।

মিজ স্টারজন বলছেন, তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যাত হলে, এপ্রিলে পার্লামেন্ট বসার পরেই তার সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবেন।

২০১৪ সালের গণভোটে ৫৫-৪৫ শতাংশ ভোটে যুক্তরাজ্যে থাকার পক্ষে সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল স্কটিশরা। যদিও বেক্সিটের গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের থাকার পক্ষে মত দিয়েছিল বেশিরভাগ স্কটিশ।

 বিবিসি

মন্তব্যসমূহ