তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

যে কারণে মিত্র অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রীর ফোন কেটে দিলেন ট্রাম্প

নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম ট্রার্নবুলের মধ্যে সর্বশেষ ফোনালাপ উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে শেষ হয়েছে।

আমেরিকার অন্যতম অনুগত ও বিশ্বস্ত বন্ধু অস্ট্রেলিয়ার নেতার সঙ্গে মার্কিন নতুন কমান্ডার ইন চিফের টেলিফোনালাপ সবচেয়ে অনুকূল হবে- সবার প্রত্যাশা ছিল এটাই।

কিন্তু পরিবর্তে শরণার্থী চুক্তি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলের তীব্র বাদানুবাদ হয়।


শনিবার এই দুই নেতার মধ্যে এ উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় বলে জানিয়েছে জ্যেষ্ঠ একজন মার্কিন কর্মকর্তা।

তাদের এই ফোনালাপ কয়েক ঘণ্টা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কথা কিন্তু মাত্র ২৫ মিনিটের মাথায় আচমকা ট্রাম্প তার ফোন রেখে দেন।

ফোনালাপের এক পর্যায়ে ট্রাম্প টার্নবুলের মুখের ওপর বলে দেন, তিনি একই দিনে রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ চার বিশ্ব নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন এবং এ পর্যন্ত এটিই হচ্ছে তার কাছে সবচেয়ে ‘বিরক্তিকর’ একটি ফোনালাপ।


অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল ও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মধ্যে একটি চুক্তিকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে এই বিরোধ।

ওই চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়া থেকে পাঠানো ১২৫০ শরণার্থীকে গ্রহণ করবে। সিরিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা সেসব শরণার্থীকে অস্ট্রেলিয়া থেকে বিতাড়িত করে দেয়া হয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়।

চুক্তি অনুযায়ী কথা ছিল যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাদের গ্রহণ করবে।

এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে আসছিলেন যুক্তরাষ্ট্র কেন এ দুই হাজার শরণার্থীকে গ্রহণ করবে। অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী বুঝাতে চেষ্টা করেন সেটা দুই হাজার নয়; ১২৫০ জন। তখন ট্রাম্প আবার বলেন কেন ওবামা প্রশাসনের করা চুক্তি তিনি মেনে চলবেন।

একটি তথ্যসূত্রের বরাতে সিএনএন জানায়, ট্রাম্প হঠাৎ করে ফোন রেখে দিয়েছিলেন।

এদিকে টুইটারে নিয়মিত ঝড় তোলা ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে টুইট করেছেন। তিনি সেখানে লিখেন, ‘আপনার বিশ্বাস হয়? অস্ট্রেলিয়া থেকে হাজার হাজার অভিবাসী গ্রহণ করার ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছিল ওবামা প্রশাসন। কেন? এই নির্বোধ চুক্তিটি আমি দেখছি।’

সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

মন্তব্যসমূহ