জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

ট্রাম্পের হাতে রক্তমাখা ছুরি, মাথা!

একহাতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার প্রতীক স্ট্যাচু অব লিবার্টির কাটা মুণ্ডু, আরেক হাতে ছুরি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন ট্রাম্প। রক্ত ঝরছে কাটা মুণ্ডু থেকে, যেন এইমাত্র কেটে নেওয়া হয়েছে সেটি।

জার্মান সাময়িকী ডের স্পিগেলের প্রচ্ছদে এমনই একটি ছবি ছাপা হয়। ছবিটি দেখে বুঝতে ভুল হচ্ছে না যে, সেটি ট্রাম্পের অবয়ব। ছবিটির নিচে লেখা ছিল ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ (সবার আগে আমেরিকা)।

ছবিটির শিল্পী এডেল রদ্রিগেজ। কিউবায় জন্মগ্রহণ করা রদ্রিগেজ রাজনৈতিক শরণার্থী হিসেবে ১৯৮০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টকে তিনি বলেন, ‘এটা গণতন্ত্রের শিরশ্ছেদ, একটি পবিত্র প্রতীকের শিরশ্ছেদ।’

এই প্রচ্ছদটি নিয়ে এরই মধ্যে সমালোচনা চলছে জার্মানিসহ সারা বিশ্বে। বাদ পড়েনি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটার-ফেসবুকও।

আলেকজান্ডার গ্রাফ ওই ছবিটিকে ‘রুচিহীন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি জার্মানির ফ্রি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এফডিপি) একজন সদস্য ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট।

 তবে স্পিগেলের ওই প্রচ্ছদের বিষয়ে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

জার্মানির বিভিন্ন নীতি ও সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জেরেই সাময়িকীটিতে এই ধরনের প্রচ্ছদ ছাপা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এনটিভি অনলাইন

মন্তব্যসমূহ