পাকিস্তানে মসজিদে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ১৬

  পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহাট পুলিশ লাইন্সের একটি মসজিদে জুমার নামাজ চলাকালে সংগঠিত ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৫ জন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫০ জনেরও বেশি মানুষ। আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জুমার নামাজের সময়ে পুলিশ সদর দফতরের কাছে এই হামলাটি চালানো হয়। খাইবার পাখতুনখোয়ার পুলিশ প্রধান (আইজি) জুলফিকার হামিদ ঘটনার সত্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন। হামলার ধরণ ও পুলিশের পাল্টা অভিযান প্রথম হামলা: পুরোনো পুলিশ লাইন্সের প্রবেশপথে বিস্ফোরকভর্তি একটি গাড়ি নিয়ে সজোরে ধাক্কা দেয় এক হামলাকারী। এতে বড় ধরণের বিস্ফোরণ ঘটে এবং ভবনের একাংশ ধসে পড়ে। দ্বিতীয় বিস্ফোরণ ও বন্দুকযুদ্ধ: বিস্ফোরণের পরপরই সশস্ত্র জঙ্গিরা স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবন লক্ষ্য করে এগোতে থাকে। সেখানে একজন আত্মঘাতী হামলাকারী নিজেকে উড়িয়ে দেয়। এরপরই নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সমর্থিত জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র গোলাগুলি শুরু হয়। সন্ত্রাসী হতাহত: পুলিশ জানায়, মোট ৭ জন সশস্ত্র জঙ্গি পুলিশ লাইন্সে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে...

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিনের পদত্যাগ

প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব নেয়ার একমাস পূর্ণ হয়নি, এর মধ্যেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন থেকে পদত্যাগ করতে হলো জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিনকে।
হোয়াইট হাউজ এই ঘোষণা দিয়েছে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল জোসেফ কিথ কেলেগকে আপাতত ওই পদের দায়িত্ব পালন করবেন।
মার্কিন কোন প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে এত তাড়াতাড়ি কোন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার পদত্যাগের ঘটনা এটাই প্রথম।
মি. ফ্লিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের আগেই তিনি রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত সেরগেই কিসলিয়াকের সঙ্গে আলাপে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, রাশিয়ার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে।
এই ঘটনার তদন্তে কর্মকর্তাদেরও তিনি বিভ্রান্ত করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ ওঠার পর প্রথমে মি. ফ্লিন বলেছিলেন যে, রুশ রাষ্ট্রদূত কিসলিয়াকের সঙ্গে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তার কোন কথা হয়নি।
পরে অবশ্য হোয়াইট হাউজকে তিনি বলেছেন যে, নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কথা হতেও পারে।
মার্কিন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, গতমাসের শেষের দিকে এ বিষয়ে বিচার বিভাগ হোয়াইট হাউজকে সতর্ক করে দিয়েছিল।
গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর ডেমোক্রেট সিনেটরা মি. ফ্লিনের পদত্যাগ দাবি করেন।
এখন প্রশ্ন উঠেছে, মি. ফ্লিনের এ ধরণের আচরণের ঘটনা কে কে আগে থেকেই জানতেন? কেন তারা আগে কোন পদক্ষেপ নেন নি? প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কি জানতেন?
অনেক বিশ্লেষক এই ঘটনার সঙ্গে ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির মিল দেখতে পাচ্ছেন। বিবিসি

মন্তব্যসমূহ