পাকিস্তানে মসজিদে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ১৬

  পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহাট পুলিশ লাইন্সের একটি মসজিদে জুমার নামাজ চলাকালে সংগঠিত ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৫ জন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫০ জনেরও বেশি মানুষ। আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জুমার নামাজের সময়ে পুলিশ সদর দফতরের কাছে এই হামলাটি চালানো হয়। খাইবার পাখতুনখোয়ার পুলিশ প্রধান (আইজি) জুলফিকার হামিদ ঘটনার সত্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন। হামলার ধরণ ও পুলিশের পাল্টা অভিযান প্রথম হামলা: পুরোনো পুলিশ লাইন্সের প্রবেশপথে বিস্ফোরকভর্তি একটি গাড়ি নিয়ে সজোরে ধাক্কা দেয় এক হামলাকারী। এতে বড় ধরণের বিস্ফোরণ ঘটে এবং ভবনের একাংশ ধসে পড়ে। দ্বিতীয় বিস্ফোরণ ও বন্দুকযুদ্ধ: বিস্ফোরণের পরপরই সশস্ত্র জঙ্গিরা স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবন লক্ষ্য করে এগোতে থাকে। সেখানে একজন আত্মঘাতী হামলাকারী নিজেকে উড়িয়ে দেয়। এরপরই নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সমর্থিত জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র গোলাগুলি শুরু হয়। সন্ত্রাসী হতাহত: পুলিশ জানায়, মোট ৭ জন সশস্ত্র জঙ্গি পুলিশ লাইন্সে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে...

প্রথম সামরিক যোগাযোগ উপগ্রহ পাঠাল জাপান (ভিডিও)

 প্রথমবারের মতো সফলভাবে সামরিক যোগাযোগ উপগ্রহ উৎক্ষেপন করেছে জাপান। দেশটির সর্ব দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপপুঞ্জের ঘাঁটি থেকে এ উপগ্রহ পাঠানো হয়। চীন সীমান্তের কাছাকাছি এ এলাকায় গ্যাস সমৃদ্ধ দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে টোকিওর সঙ্গে বেইজিংয়ের তীব্র বিরোধ চলছে।

এক্স-ব্যান্ডের উপগ্রহটি ছুঁড়তে মিতসুবিশি এইচ-২এ রকেট ব্যবহার করা হয়েছে বলে এ সংস্থার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন। ছোঁড়ার পরপরই উপগ্রহকে সফলভাবে কক্ষপথে স্থাপন করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

গত জুলাইয়ে সামরিক উপগ্রহ পাঠানোর কথা থাকলে তা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল। টোকিও থেকে মহাকাশ স্টেশনে নেয়ার পথে উপগ্রহের অ্যান্টেনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জুলাই মাসে আর উপগ্রহ পাঠাতে পারে নি জাপান। অবশ্য এখন সামরিক উপগ্রহ সফলভাবে পাঠানোর মধ্য দিয়ে টোকিওর সে ব্যর্থতা ঘুচলো।


আগামী বছরগুলোতে এক্স-ব্যান্ডের আরো তিনটি উপগ্রহ কক্ষপথে স্থাপন করার পরিকল্পনা করেছে টোকিও। এতে জাপানের ব্রডব্যান্ড সক্ষমতা চারগুণ বাড়বে।

যুদ্ধবিরোধী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে বলে এতকাল দাবি করেছে জাপান। কিন্তু সামরিক উপগ্রহ পাঠানোর মধ্য দিয়ে সে নীতি থেকে টোকিও কার্যত প্রকাশ্যেই সরে আসল বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: জাপান টাইমস, রয়টার্স

মন্তব্যসমূহ