জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

জার্মানিতে মার্কিন সেনা, রাশিয়ার জন্য সতর্কবার্তা!

জার্মানি পৌঁছেছে চার হাজার মার্কিন সেনা। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন দেশে সেনা মহড়ার অংশ এটি। তবে এটা যে রাশিয়ার প্রতি একটা সতর্কবার্তা, তা দেশটির কর্তাব্যক্তিদের ইঙ্গিত থেকে বোঝা যাচ্ছে।

স্থানীয় সময় রোববার যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো থেকে জার্মানির ব্রেমারহ্যাভেনে ওই সৈন্যদল পৌঁছায়। সেনাসদস্যদের সঙ্গে ট্যাঙ্ক, কামানসহ দুই হাজার ৪০০টি যুদ্ধযান পাঠানো হয়েছে।

সেনাবাহিনী ও যুদ্ধযানগুলো এরপর পাঠানো হবে পোল্যান্ডে। সেখান থেকে সেনা ও যুদ্ধযানগুলো ইউরোপের সাতটি স্থানে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে।

জেফ ডেভিস নামের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সদর দপ্তর পেন্টাগনের এক মুখপাত্র বলেন, ‘ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের কথা আপনারা জানেন। এটা এমন একটা বিষয়, যে বিষয়ে আমাদের মিত্র ও অংশীদাররা খুবই সচেতন।’

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিম রে বলেন, ‘আমাকে বিষয়টি পরিষ্কার করতে দিন। রাশিয়ার আগ্রাসন দমাতে আমাদের বিভিন্ন কৌশলের অংশ এটি। আমাদের মিত্রদের জন্য নিরাপদ ভূখণ্ড নিশ্চিত করা এবং একটি বৃহৎ, মুক্ত, উন্নত ও শান্তিপূর্ণ ইউরোপ গড়তে আমরা সচেষ্ট।’

রে আরো বলেন, ইউরোপ মহাদেশে আকাশ ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া মিত্রদের সঙ্গে অস্ত্রের আদান-প্রদান ও প্রশিক্ষণ বাড়ানো হয়েছে। সিএনএন/এনটিভি

মন্তব্যসমূহ