প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

জার্মানিতে মার্কিন সেনা, রাশিয়ার জন্য সতর্কবার্তা!

জার্মানি পৌঁছেছে চার হাজার মার্কিন সেনা। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন দেশে সেনা মহড়ার অংশ এটি। তবে এটা যে রাশিয়ার প্রতি একটা সতর্কবার্তা, তা দেশটির কর্তাব্যক্তিদের ইঙ্গিত থেকে বোঝা যাচ্ছে।

স্থানীয় সময় রোববার যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো থেকে জার্মানির ব্রেমারহ্যাভেনে ওই সৈন্যদল পৌঁছায়। সেনাসদস্যদের সঙ্গে ট্যাঙ্ক, কামানসহ দুই হাজার ৪০০টি যুদ্ধযান পাঠানো হয়েছে।

সেনাবাহিনী ও যুদ্ধযানগুলো এরপর পাঠানো হবে পোল্যান্ডে। সেখান থেকে সেনা ও যুদ্ধযানগুলো ইউরোপের সাতটি স্থানে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে।

জেফ ডেভিস নামের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সদর দপ্তর পেন্টাগনের এক মুখপাত্র বলেন, ‘ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের কথা আপনারা জানেন। এটা এমন একটা বিষয়, যে বিষয়ে আমাদের মিত্র ও অংশীদাররা খুবই সচেতন।’

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিম রে বলেন, ‘আমাকে বিষয়টি পরিষ্কার করতে দিন। রাশিয়ার আগ্রাসন দমাতে আমাদের বিভিন্ন কৌশলের অংশ এটি। আমাদের মিত্রদের জন্য নিরাপদ ভূখণ্ড নিশ্চিত করা এবং একটি বৃহৎ, মুক্ত, উন্নত ও শান্তিপূর্ণ ইউরোপ গড়তে আমরা সচেষ্ট।’

রে আরো বলেন, ইউরোপ মহাদেশে আকাশ ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া মিত্রদের সঙ্গে অস্ত্রের আদান-প্রদান ও প্রশিক্ষণ বাড়ানো হয়েছে। সিএনএন/এনটিভি

মন্তব্যসমূহ