প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

যুক্তরাষ্ট্রে নেমেই দুই ইরাকি আটক, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা

ভিসা ছিল। ছিল অন্যান্য কাগজপত্রও। তারপরও নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে নামার পর আটক করা হয় দুই ইরাকিকে। বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন নির্দেশ অনুযায়ী তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ।

স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার ওই ঘটনা ঘটে। কিন্তু ইরাকের ওই দুই নাগরিক তা মানতে নারাজ। তাঁরা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিয়েছেন।

গত সপ্তাহে সাতটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই সাতটি দেশ হচ্ছে সিরিয়া, ইরান, ইরাক, লিবিয়া, ইয়েমেন, সুদান ও সোমালিয়া। ডোনাল্ড ট্রাম্পের চোখে ওই সাতটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বিপজ্জনক’, ‘সন্ত্রাসপ্রবণ’ এবং  ‘দেশটির জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি’।

স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার এ-সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশে সই করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী আগামী ৯০ দিন ইরাকের কোনো নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে না। ওই দিনই নিউইয়র্কের বিমানবন্দরে নামেন দুই ইরাকি। বিমানবন্দরেই তাঁদের আটক করা হয়।

কিন্তু বাদ সেধেছেন দুই ইরাকির আইনজীবীরা। তাঁরা বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাচ্ছেন। আইনজীবীদের দাবি, বৈধ কাগজপত্র নিয়েই ওই দুই ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন। আইনজীবীরা দাবি করেন, এঁদের আটক রাখা আইনত অবৈধ।

ট্রাম্পের ওই নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে ওই দুই ইরাকির আইনজীবীরা শরণার্থীদের পক্ষে দাঁড়াবেন বলে জানা যায়।    এনটিভি অনলাইন

মন্তব্যসমূহ