আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

যুক্তরাষ্ট্রে নেমেই দুই ইরাকি আটক, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা

ভিসা ছিল। ছিল অন্যান্য কাগজপত্রও। তারপরও নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে নামার পর আটক করা হয় দুই ইরাকিকে। বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন নির্দেশ অনুযায়ী তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ।

স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার ওই ঘটনা ঘটে। কিন্তু ইরাকের ওই দুই নাগরিক তা মানতে নারাজ। তাঁরা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিয়েছেন।

গত সপ্তাহে সাতটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই সাতটি দেশ হচ্ছে সিরিয়া, ইরান, ইরাক, লিবিয়া, ইয়েমেন, সুদান ও সোমালিয়া। ডোনাল্ড ট্রাম্পের চোখে ওই সাতটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বিপজ্জনক’, ‘সন্ত্রাসপ্রবণ’ এবং  ‘দেশটির জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি’।

স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার এ-সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশে সই করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী আগামী ৯০ দিন ইরাকের কোনো নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে না। ওই দিনই নিউইয়র্কের বিমানবন্দরে নামেন দুই ইরাকি। বিমানবন্দরেই তাঁদের আটক করা হয়।

কিন্তু বাদ সেধেছেন দুই ইরাকির আইনজীবীরা। তাঁরা বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাচ্ছেন। আইনজীবীদের দাবি, বৈধ কাগজপত্র নিয়েই ওই দুই ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন। আইনজীবীরা দাবি করেন, এঁদের আটক রাখা আইনত অবৈধ।

ট্রাম্পের ওই নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে ওই দুই ইরাকির আইনজীবীরা শরণার্থীদের পক্ষে দাঁড়াবেন বলে জানা যায়।    এনটিভি অনলাইন

মন্তব্যসমূহ